আজ 'নাগর আলীর কিচ্ছা'র শততম মঞ্চায়ন। এক থেকে একশত_কতটা শ্রম, ঘাম আর কষ্টের এ অর্জন, সে শুধু দৃষ্টিপাতের বন্ধুরাই জানেন। নব্বইয়ের দশকে যখন বেশির ভাগ দল হাসির নাটকের নামে নানা ধরনের সস্তা নাটক মঞ্চায়ন শুরু করে, ঠিক তেমনি সময় দৃষ্টিপাত সিদ্ধান্ত নেয় একটি মৌলিক হাসির নাটক মঞ্চায়নের।
বলতে দ্বিধা নেই, প্রথম দিকটিতে অনেকের মনেই সংশয় ছিল। যদি রূপান্তরিত অনেক সস্তা নাটকের ভিড়ে এ নাটকটি হারিয়ে যায়, তাহলে? এমনি নানা দ্বিধা-দ্বন্দ্বের মধ্য দিয়েই ১৯৯৩ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর দৃষ্টিপাত ১২তম প্রযোজনা হিসেবে 'নাগর আলীর কিচ্ছা'র প্রথম প্রদর্শনী করে। মৌলিক হাসির নাটক হিসেবে অল্প সময়ে জনপ্রিয়ও হয়। কেবল ঢাকায় নয়, ঢাকার বাইরেও বেশ কিছু সফল মঞ্চায়ন হয়েছে নাটকটির। নাট্যজনদের পরামর্শে কিছু পরিবর্তন ও পরিমার্জন হয়েছে এ প্রযোজনায়। শততম মঞ্চায়নে তাই নতুনত্বও থাকছে বেশ কিছু বিষয়ে।
নদীভাঙন আর প্রকৃতির নির্মমতায় সহায়-সম্বলহীন গ্রামের সহজ-সরল যুবক নাগর আলী। ক্ষুধা আর দারিদ্র্যের কশাঘাতে কেবল বেঁচে থাকার তাগিদে বুক ভরা আশা আর স্বপ্ন নিয়ে ছোট মামা হাসান চৌকিদারের হাত ধরে ছুটে আসে রাজধানীতে। যান্ত্রিক নাগরিক জীবনের বিচিত্র অভিজ্ঞতাই এই নাটকের মূল প্রেক্ষাপট। আর এই সুযোগে উপলব্ধি করা_কেমন আছি আমরা এবং সাধের গণতন্ত্র নিয়ে আজকের এই বাংলাদেশ।









0 comments:
Post a Comment